ঘরোয়া পদ্ধতিতে কার্যকরী চুলের যত্ন
আরো পড়ুন : ঘরোয়া পদ্ধতিতে কার্যকারী চুলের যত্ন
চুলে মেহেদী পাতা দিলে কি হয়
চুলকে আকর্ষণীয় দেখাতে তিশির ব্যবহার
চুলের জন্য পেঁয়াজের গুরুত্ব
চুলের জন্য পেঁয়াজের গুরুত্ব আমাদের সকলের চুলের জন্য পেঁয়াজ অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ একটি উপাদান। পেঁয়াজ চুলে ব্যবহারের ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়। নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুলের গোড়া শক্ত করে। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন করে।মাথার খুশকি দূর করে। আমাদের সপ্তাহে ২ দিন করে চুলে পেঁয়াজ লাগানো উচিত। তিন থেকে চারটি পেঁয়াজ নিতে হবে। এরপর এটি একদম মিহি করে বেটে নিতে হবে। তারপর পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় এবং মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। ৩০ মিনিট রেখে ব্যবহারকৃত শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। পেঁয়াজ যেহেতু চুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। তাই এভাবে চুলে পেঁয়াজ লাগালে চুল পড়া কমবে চুলের গোড়া শক্ত করবে চুলকে মজবুত করে রাখবে। চুল পড়া রোধে আমাদের পেঁয়াজ ব্যবহার করতে হবে।
চুলের জন্য এলোভেরার গুরুত্ব
চুলের জন্য এলোভেরার গুরুত্ব চুলের জন্য এলোভেরা অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। এর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক এনজাইম।যা স্কাল্পে মৃতকোশ দূর করে।এটি চুলের গোড়ায় পুষ্টি যোগান দেয়। চুল করে ঘন এবং মজবুত। এতে থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম চুলকে করে সিল্কি এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। অ্যালোভেরা চুলের গোড়া ফেটে যাওয়া থেকে রোধ করে। চুলের জন্য কেমিক্যালযুক্ত অ্যালোভেরার জেল ছাড়া একদম গাছের অ্যালোভেরা ব্যবহার করা বেশি ভালো। এর জন্য দুই থেকে তিনটি অ্যালোভেরার ডাল নিতে হবে। এরপর চামচ অথবা চাকুর সাহায্যে অ্যালোভেরার ডাল থেকে পিচ্ছিল পদার্থগুলো বের করে নিতে হবে। এরপর সেগুলো চামচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে একটি জেলের মতো করতে হবে। তারপর চুলের লাগাতে হবে। চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো। অ্যালোভেরা লাগানোর ফলে চুলের গোড়া শক্ত হবে মজবুত হবে এবং চুল সিল্কি করবে।
চুলের জন্য মেথির গুরুত্ব
চুলের জন্য মেথির গুরুত্ব অপরিসীম। এটি চুল দ্রুত লম্বা করতে সাহায্য করে। আপনি যদি চান চুল পড়া বন্ধ হোক এবং নতুন চুল গজাক তাহলে মেথির ব্যবহার শুরু করুন। কারণ মেথিতে থাকে প্রোটিন যা মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়াতে কাজ করে।এছাড়া এতে ভিটামিন সি আয়রন এবং পটাসিয়াম থাকে। এসব চুলের অকালপক্ষতা রোধে কাজ করে।এবং চুল করে ঘন ওমৃশ্রণ। চুল পড়া রোধে মেথি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কিন্তু খেয়াল করে থাকি বাজারে বিক্রি হওয়া তেল ও মেথি দিয়ে তৈরি। প্রথমে কিছু পরিমাণ মেথি একটি বাটিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর সকালে মেথি গুলো বেটে মাথার মাসে এবং চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। ৩০ মিনিট পর এটি ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন মেথি ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
চুলের জন্য আমলকির গুরুত্ব
চুলের জন্য আমলকির গুরুত্ব জন্য আমলকি এক জাদুকরি উপাদান। এতে রয়েছে ভিটামিন সি যা আমাদের চুলকে রাখে মজবুত এবং স্বাস্থকরে করে। আমলকি আমাদের চুলকে করে স্বাস্থ্যজ্জল এবং ঘন। আসলে আমরা কি ব্যবহার করলে মাথার মাস অনেক সুন্দর থাকে। মাথা সব সময় ঠান্ডা থাকে। আমলকি ব্যবহার করলে মাথায় নতুন চুল গজায়। আমলকি দিয়ে তেল বানিয়ে ও ব্যবহার করা যাবে। তার জন্য প্রথমে ২০০ গ্রাম আমলকি নিতে হবে। আমলকি থেকে বিচিগুলো বের করে রাখতে হবে। এরপর এটি ব্লেন্ডার দিয়ে পেস্ট করে নিতে হবে । এই পেজটির মধ্যে কোন পানি যোগ করা যাবে না। এরপর পেজটি একটি কড়াইয়ে দিয়ে হালকা আছে জাল করে সাধের পরিমাণ মত নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে হবে। সাথে সামান্য পরিমাণের মধু এবং একটি দারচিনি ব্যবহার করতে হবে। কিছুক্ষণ জাল করে নেওয়ার পর নামিয়ে নিতে হবে। তারপর শুতে কাপড় দিয়ে ছেকে একটি কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করতে হবে । এই তেল আমাদের জন্য খুবই কার্যকরী একটি উপাদান।
চুল পড়া রোধে পেপোরিয়াম পাতার উপকারিতা
চুল পড়া রোধে পেপোরিয়াম পাতার উপকারিতা। আমাদের সকলের এখন কমন সমস্যা হচ্ছে চুল পড়ে যাওয়া। চুল পড়া রোধ করার একটি প্রাকৃতিক উপাদান হচ্ছে পেপোরিয়াম পাতা। এটি ব্যবহার করলে মাথার ত্বক সব সময় ঠান্ডা থাকে । চুল সব সময় নরম থাকে। পেপোরিয়াম পাতা লাগানোর উপায় হচ্ছে প্রথমে কিছু পরিমাণ পাতা বেটে নিতে হবে। এরপর সুতি কাপড় দিয়েছে ছেকে এর ভেতর থেকে রস বের করতে হবে। তারপর সেই রসের সাথে সামান্য পরিমাণ ব্যবহারকৃত শ্যাম্পু মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর সেই রস চুলে লাগাতে হবে। এটি বানিয়ে আপনার ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা রয়েছে।
চুলের যত্নে জবা ফুল এবং পাতা।
চুলের যত্নে জবা ফুল এবং পাতা। চুলের যত্নে জবা ফুল এবং জবা পথে একটি যাদুকরী উপাদান। চুল পড়া কমাবে নতুন চুল গজাবে চুলকে মজবুত রাখবে এবং চুল সিল্কি করবে। জবা ফুলে থাকা প্রাকৃতিক নিউট্রিয়েন্টস চুলকে করে সিল্কি এবং ঘন। জবা ফুল ব্যবহারের নিয়ম কিছুটা জবা ফুল এবং জবা পাতা নিতে হবে। একটি পাতিলে সামান্য প্রাণী এবং পাতা নিয়ে জাল করে রাখতে হবে। জাল করার পরে ছেকে নিতে হবে। যে রসগুলো বের হবে রসের সাহায্যে কিছুটা আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিতে হবে। তাহলে হয়ে গেল হেয়ার সিরাম। মতামত করার পর সিরাম হিসেবে এটি লাগালে অনেক ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
চুলের যত্নে পেয়ারা পাতার গুনাগুন।
চুলের যত্নে পেয়ারা পাতার গুনাগুন। বর্তমান আমাদের নারী-পুরুষ সকলের চুল পড়ে যাচ্ছে। এই চুল পড়া রোধে আমরা অনেক দামি দামি জিনিস ব্যবহার করেছি। কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে চুল পড়া রোধ করা যায়। পেয়ারা পাতা ব্যবহার করলে চুল হবে ঘন। পেয়ারা পাতা থেকে উৎপন্ন হয় কোলাজেল। কোলাজেল আমাদের চুলের ঘনত্ব বাড়ায়। পেয়ারা পাতা ব্যবহারের নিয়ম। ১০-১২ টি পেয়ারা পাতা পেনিসে ফুটিয়ে নিতে হবে। পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে নেওয়ার পরে যে রস বের হবে সেটি কিছুক্ষণ ঠান্ডা করে নিতে হবে। একটি প্লাস্টিকের বোতলে ঢেলে হিয়ার টনিক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। গোসলের বিষ থেকে ৩০ মিনিট আগে এটি ব্যবহার করতে হবে।
শেষ কথা :লেখকের মন্তব্য
উপরোক্ত কাজগুলো করে আপনারা আপনাদের চুল পড়া রোধ করতে পারেন। আপনার কোন মন্তব্য থাকলে কমেন্ট করুন। এবং আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হলে আপনার বন্ধুদের কাছে শেয়ার করুন।
.jpg)
কর্ম গাইডনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url